Education

January 2023
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

লাখো কন্ঠে সোনার বাংলা

১১ প্রশ্ন : ১.৭। বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা কিভাবে ঘটে বর্ণনা কর। অথবা, বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা ঘটে কিভাবে? ব্যাখ্যা কর।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা:

উত্তর :

 প্রকৃতিকে জয় করে, বশীভূত করে প্রকৃতির প্রভু হয়ে মানুষ কৃত্রিমভাবে যে জীবনযাপন করে— সেটাই তার সংস্কৃতি ও সভ্যতা। এদেশের মানুষ কখনো স্বকীয় মেজাজে আত্মবিকাশের সহজ ও স্বাভাবিক পথ পায়নি । প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে যেসব বণিক, পর্যটক, ধর্মপ্রচারক বাংলাদেশে এসেছে, তারা বাঁঙালিকে ভীরু, মিথ্যাভাষী, প্রতারক, কলহপ্রিয়, দরিদ্র ও চোর বলে জেনেছে । মূলত সংস্কৃতি বহতা নদীর মতো প্রবহমান ও গতিশীল । তাই সংস্কৃতির এ সচল প্রবাহই বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতার পেছনে দায়ী ।

বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা যেভাবে ঘটে : বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা যেভাবে ঘটে তা নিম্নে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো :

-১. আর্য-সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ :

 আর্য বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গেই এদেশের উচ্চবিত্তের ও আভিজাত্যের লোকগুলো আর্য সমাজে মিশে গিয়েছিল । আর্যদের বসবাসের সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর ভারত ‘আর্যাবর্তে’ পরিণত হয়। আর্যরা বহুকাল ধরে এ দেশে প্রবল প্রতাপের সঙ্গে শাসনকার্য চালায় । ফলে তাদের সংস্কৃতির সাথে দেশীয় সংস্কৃতির সংমিশ্রণে নতুন এক সংস্কৃতির সৃষ্টি হয় ।

২. অস্ট্রিক মঙ্গোলদের সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ :

 অস্ট্রিক মঙ্গোলদের নিজস্ব একটা সংস্কৃতি আছে— সেটাই চিরকাল বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির ধারা । তার প্রভাব থেকে বাঙালি কখনো মুক্ত হতে পারবে না। বাঙালির চেতনায়, স্নায়ুতে, রক্তধারায় তা মিশে আছে যুগ যুগ ধরে। সাংখ্য, যোগ, তন্ত্র, দেহতন্ত্র এগুলো হচ্ছে বাংলার আদি মঙ্গোলদের দান । আর নারী দেবতা, পশুপাখি ও বৃক্ষদেবতা, জন্মান্তরবাদ প্রভৃতি হচ্ছে অস্ট্রিকদের দান । এ সকল বৈশিষ্ট্য বাঙালির চরিত্রে ও জীবনে অন্তর্নিহিত । বাঙালি বৌদ্ধ, ব্রাহ্মণ, ইসলাম প্রভৃতি ধর্ম গ্রহণ করে নানা সম্প্রদায়ের রূপ লাভ করেছে বটে, কিন্তু কখনো সে সাংখ্য, যোগ ও তন্ত্রের প্রভাব ত্যাগ করতে পারেনি । ফলে বহিরাগত প্রতিটি মতবাদ এখানে এসে নতুন রূপ লাভ করেছে, নতুন চরিত্র নিয়েছে, বাঙালি রূপ নিয়েছে ।

৩. বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের অনুপ্রবেশ :

 আর্য-অনার্যের বিভেদ যখন ঘুচে যায়, তখন দেশ বা মানুষের কাছে বুদ্ধ মহাবীরের বাণী পৌছে দেবার পক্ষে কোনো বাধা থাকে না । এ সময়েই প্রথম জৈন ও বৌদ্ধ ভিক্ষুকগণ মগধের সীমা অতিক্রম করে আধুনিক বাংলাদেশে নবধর্ম প্রচারের জন্য উপস্থিত হন। এদেশের বর্বর প্রায় জনগণের মধ্যে আর্যভাষা ও সংস্কৃতির আবরণে এই দ্রোহী ধর্ম অর্থাৎ জৈন— বৌদ্ধ মতবাদ প্রচারিত হয়। এদের লিপি ছিল না, সাহিত্যের শালীন ভাষা ছিল না, উঁচুমানের সংস্কৃতি ছিল না । তাই আর্য ধর্মের সাথে আর্যভাষা, সংস্কৃতি তাদের বরণ করে নিতে হয় । বাংলার পাল রাজাগণ বৌদ্ধ ছিলেন । তাই তাদের সময়ে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বৌদ্ধধর্ম টিকেছিল । সেন রাজাগণ ব্রাহ্মণ্য ধর্মাবলম্বী ছিলেন।

৪. বিদেশি শাসন : 

বাঙালিরা চিরকালই বিদেশি ও বিজাতি শাসিত জাতি । সপ্তম শতকের শশাঙ্ক-নরেন্দ্র গুপ্ত এবং পনেরো শতকের যদু-জালালুদ্দিন ছাড়া বাংলার কোনো শাসকই বাঙালি ছিলেন না। এটি নিশ্চিতই লজ্জার এবং বাঙালি চরিত্রে নিহিত রয়েছে এর গূঢ় কারণ । দীর্ঘকাল বিদেশিদের দ্বারা শাসিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শাসক শ্রেণীর সংস্কৃতির অবাধ অনুপ্রবেশ যে আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

৫. ইসলাম ধর্মের অনুপ্রবেশ :

 উপমহাদেশে তুর্কি বিজয়ের সাথে সাথে ইসলাম ধর্মের প্রবেশ ঘটে ব্যাপকভাবে । যদিও অতীতে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মুসলিম বণিক বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এদেশে গমন করেছিল কিন্তু চূড়ান্তভাবে এদেশে ইসলাম প্রবেশ করে তুর্কি বিজয়ের পরে । এরপর আফগান ও মুঘল শাসনামলে এবং আরব-ইরানি ও মধ্য এশীয় বহু উপজাতির প্রভাবে সুদীর্ঘ প্রায় ৭০০ বছর মুসলমানরা এ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। মুসলমানদের এই দীর্ঘ শাসনের ফলে জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এসেছে নানা পরিবর্তন

 

৬. নতুন নতুন ধর্মমতের প্রচলন ।

 বাঙালির ধর্মচিন্তাকে প্রভাবিত করেছে লৌকিক ধর্ম, জৈনধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম, নাথধর্ম, ইসলাম ধর্ম প্রভৃতি। বাঙালির এ সকল ধর্মচিন্তাও সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে । যে কারণে সম্রাট আকবর উপমহাদেশের প্রধান প্রধান ধর্মের সমন্বয়ে গড়ে তোলেন নতুন এক ধর্মমত যা দ্বীন-ই-ইলাহী নামে পরিচিত ।

৭. বিদেশি পর্যটক ও পরিব্রাজকের আগমন :

 অতীতে ধর্মপ্রচারক, পরিব্রাজুক এবং পণ্ডিতগণ বিভিন্ন দেশে গমনাগমনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐক্য এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন । আমাদের এ অঞ্চলে চীনের হিউয়েন সাং, মরক্কোর ইবনে বতুতা, ইতালির মার্কো পোলো প্রমুখ বিদেশি পর্যটক তথা পরিব্রাজকের আগমনও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধনের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

৮. বাঙালির দর্শন :

 আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টি, চিন্তা-চেতনা, মনন-সাধনা ও ধর্ম এসব মিলিয়েই গড়ে উঠেছে বাঙালির দর্শন । রাঙালির উল্লেখযোগ্য দর্শসনমূহ হলো লোকায়ত দর্শন, বৈষ্ণৱ দৰ্শন, সুফি দর্শন, বাউল দর্শন, চার্বাক দর্শন প্রভৃতি । যা মূলত প্রকাশ পেয়েছে মানবতাবাদ ও ভক্তিবাদের মধ্য দিয়ে । বাঙালির সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতার ক্ষেত্রে এটিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ।

৯. ব্যবসা-বাণিজ্য :

 ব্যবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে বাঙালিদের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে গমন এবং সেখানকার বণিকদের এদেশে আগমন ছিল নিয়মিত ব্যাপার । তাই ক্রিটবাসীর সঙ্গে প্রাচীন বাঙালির সংস্কৃতির যোগও ছিল স্বাভাবিক । এর প্রমাণও মেলে, ক্রিটে প্রচলিত লিপির সঙ্গে বাংলার ‘পাঞ্চ মার্কযুক্ত’ মুদ্রায় উৎকীর্ণ লিপির সাদৃশ্য থেকে ।

উপসংহার : 

পরিশেষে বলা যায়, বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা যে সংস্কৃতি বহন করছি তা আমরা বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মাধ্যমে পেয়েছি । বস্তুত, বিভিন্ন শাসক, পরিব্রাজক, ব্যবসায়ী, ধর্মীয় নেতা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষাপট থেকেই আমরা বাঙালি সংস্কৃতি পেয়েছি । আর এভাবেই বিভিন্ন অনুঘটক-ঘটকের মাধ্যমেই বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা ঘটেছে ।

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে জারি করেন আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের প্রকৃতি: ভূমিকা : ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক শাসনের মধ্য দিয়ে জেনারেল …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

ভূমিকা : পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের শাসনামলের একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য দিক হলো মৌলিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনের উপর একটি প্রবন্ধ ভূমিকা: ১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে শিক্ষা আন্দোলন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে একটি …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৬২ সালের পাকিস্তান সংবিধানের বৈশিষ্ট্য : ভূমিকা : সংবিধান হলো যেকোনো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল বা আইন। কোনো রাষ্ট্রের শাসন পদ্ধতি কিরূপ তা …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

পাকিস্তানে সামরিক শাসন : পাকিস্তানে সামরিক শাসন .পাকিস্তানে সামরিক শাসন. পাকিস্তানে সামরিক শাসন.পাকিস্তানে সামরিক শাসন ভূমিকা : প্রতিক্রিয়াশীল কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর মদদপুষ্ট …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

আইয়ুব খানের শাসন: ভূমিকা :১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জাকে হটিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ এবং সামরিক শাসন …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন
মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয় ও যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ: ভূমিকা : ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন এবং এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় ও …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের কারণ একুশ দফা কি? ও ১৯৫৪-এর প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের কারণ : ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈষম্য উত্তর : ভূমিকা : ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্ম হলেও …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য উত্তর : ভূমিকা : ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ব্রিটিশ রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয় …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ভূমিকা :  ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালিদের গণচেতনার প্রথম বহিঃপ্রকাশ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ । …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি ভাষা আন্দোলনের পটভূমি ভূমিকা :  ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালিদের গণচেতনার প্রথম বহিঃপ্রকাশ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের এক বলিষ্ঠ …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ভূমিকা : পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই পাকিস্তানের জাতীয় নেতৃত্ব ভাষা ও সাংস্কৃতিক মিশ্রণের এক কেন্দ্রীভূত নীতি গ্রহণ করে। …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ভূমিকা : ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্যসাধারণ ঘটনা । ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে আর …

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে কবে জারি করেন
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো  ভূমিকা :  ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭-এর পর ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। গোটা ভারতবর্ষকে ২টি ভাগে বিভক্ত করে পাকিস্তান …

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

ভারত বিভক্ত  ভূমিকা :  ভারতবর্ষের হিন্দু-মুসলিম এবং কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক বিরোধ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা ভারত বিভক্তির মূল কারণ । কংগ্রেসের মাত্রাতিরিক্ত …

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

বাঙালি সংস্কৃতির সমন্বয়বাদিতা: উত্তর :  প্রকৃতিকে জয় করে, বশীভূত করে প্রকৃতির প্রভু হয়ে মানুষ কৃত্রিমভাবে যে জীবনযাপন করে— সেটাই তার সংস্কৃতি ও …

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস

উত্তর :  ভূমিকা :  ব্রিটিশ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের গতিধারায় ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইন ভারতীয়দের জাতীয় জীবনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ …

বঙ্গভঙ্গ  ভূমিকা :  ১৯০৫ সালের ৭ জুলাই’র বঙ্গ বিভাগ ভারতবর্ষের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহের একটি। তৎকালে বঙ্গ প্রদেশ বলতে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা …

বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বাংলা ভাষার ক্রমবিকাশের ধারা ভূমিকা : পৃথিবীতে আনুমানিক চার থেকে আট হাজারের মতো ভাষা রয়েছে । তন্মধ্যে বাংলা …

বাংলাদেশের অধিবাসীদের আর্থ-সামাজিক জীবনে ভূ-প্রকৃতির প্রভাব  ভূমিকা :  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমির দেশ এই বাংলা । সবুজ প্রান্তর, মনোরম উদার মাঠ, বহু …

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস প্রশ্ন ২০২১ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস প্রশ্ন ফাস স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সর্বশেষ সাজেশনস …

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য: উপমহাদেশের একটি প্রাচীন জনপদের নাম বঙ্গ। মুসলমান আমল হতে বাংলা ভাষাভাষী ভুভাগ বঙ্গ বা বাংলা নামে পরিচিত হয়। তখন …

বাঙালিকে কেন সংকর বা মিশ্র জাতি বলা হয়

সংকর বা মিশ্র জাতি: বাঙালি জাতির নৃগােষ্ঠীগত পরিচয় অল্প কথায় বিশ্লেষণ করা কঠিন। বাঙালি নরগােষ্ঠী বহুকাল ধরে নানা জাতির সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। …

বাংলা নামের উৎপত্তি

২০১৪/২০১৬/২০১৯ বাংলা নামের উৎপত্তি মুসলিম শাসনামল থেকে ভারতের বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলে বা দেখা যায়। প্রাচীনকালে বাংলাদেশের নাম ছিল বঙ্গ। মুসলিম শাসনামলে বিশেষ …

বঙ্গ ও পঞ্জ জনপদ

প্রশ্ন : ৩। প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহের নাম লিখ। অথবা, বাংলার প্রাচীন জনপদগুলাের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। অথবা, সংক্ষেপে বঙ্গ ও পঞ্জ জনপদ সম্পর্কে …

বাংলাদেশের সীমানা

২০১৪,১৬.১৯ প্রশ্ন : ২। বাংলাদেশের সীমানা উল্লেখ কর। অথবা, বাংলাদেশের ভৌগােলিক সীমা উল্লেখ কর। বাংলাদেশের সীমানা সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ …

Tags

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *