Education

January 2023
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

লাখো কন্ঠে সোনার বাংলা

১১ প্রশ্ন : ২.২। ঔপনিবেশিক শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ও এর ফলাফল ব্যাখ্যা কর। অথবা, ঔপনিবেশিক শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব, বিকাশ ও এর ফলাফল ব্যাখ্যা কর। 

ঔপনিবেশিক শাসনামল

উত্তর : 

ভূমিকা :

 ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ফলেই হিন্দু-মুসলিম এ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক চিন্তার উদ্ভব হয় । ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশ থেকে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সাম্প্রদায়িক এমনসব ঘটনাবলির ফসল, যেগুলো অনেক সময়ই স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে স্ব বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় । উপনিবেশিক শাসনামলে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ বিকশিত হবার সাথে সাথে সাম্প্রদায়িকতা আত্মপ্রকাশ করে । হিন্দু-মুসলিম উভয়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভবের ফলেই ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে ধর্মভিত্তিক দুটি আলাদা রাষ্ট্রে পরিণত হয় ।

ঔপনিবেশিক শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব : ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবে নানা উপাদান প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে । নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হলো :

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ :

 ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভবে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হয়ে কাজ করেছিল। কারণ হিন্দু সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গের বিপক্ষে এবং মুসলিম সম্প্রদায় এর পক্ষে অবস্থান নিলে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বিলেতি পণ্য বর্জন, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বর্জন এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯০৫ সালেই স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলনের সূচনা হয় ।

ব্রিটিশ সরকারের “ভাগ কর ও শাসন কর’ নীতি “ 

ভারতবর্ষে সচতুর ব্রিটিশ সরকারের ‘ভাগ কর ও শাসন কর’ নীতি হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভবে অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করেছে । ব্রিটিশ সরকারের উদ্দেশ্য ছিল ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করে নিজেদের শাসনব্যবস্থাকে দীর্ঘ করা। এজন্য ব্রিটিশ সরকার বিভিন্ন সময়ে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতাকে নিরসন না করে বরং উসকে দিয়েছে ।

মুসলমানদের চাকরির সুবিধা : 

ঔপনিবেশিক শাসনামলের এক পর্যায়ে পশ্চাৎপদ মুসলমানদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষিত হিন্দুরা এর বিরোধিতা করে, যা মুসলমানরা স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারে নি । ফলে মুসলমানদের মধ্যে বদ্ধমূল ধারণা জন্মে যে, হিন্দুরা মুসলমানদের কোনো উন্নতি চায় না। যা সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

বস্তুগত স্বার্থ : 

ভারতবর্ষে ধর্মীয় কারণে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব হয়েছে বলে মনে হলেও আসলে বস্তুগত স্বার্থের কারণে এটি হয়েছে। স্বার্থবাদীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। কেননা ? সাম্প্রদায়িকতা গ্রাম্য কৃষকের মধ্যে দেখা না দিয়ে শহুরে মধ্যবিত্তের মধ্যে দেখা দিয়েছে। মধ্যবিত্তরাই একে গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিয়েছে; যাতে ইন্ধন যুগিয়েছে ব্রিটিশ সরকার ।

হিন্দু মহাসভার ঘোষণা : 

ঔপনিবেশিক শক্তির আশীর্বাদপুষ্ট হিন্দু মহাসভা ঘোষণা করে যে, মুসলমানরা অনেকেই ধর্মান্তরিত হিন্দু, তারা যদি ভারতীয় উপমহাদেশে থাকতে চায় তাহলে তাদেরকে পুনরায় হিন্দু হতে হবে, নইলে তারা বিবেচিত হবে বহিরাগত হিসেবে। এ ঘোষণা ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল ।

৬. সাম্প্রদায়িক সংগঠন সৃষ্টি : ঔপনিবেশিক শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ে হিন্দুরা জমিদারি অ্যাসোসিয়েশন (১৮৩৭), বেঙ্গল ব্রিটিশ ইন্ডিয়া সোসাইটি (১৮৪৩), সোসাইটি ফর দি প্রমোশন অব ন্যাশনাল ফিলিং (১৮৬৬), হিন্দু মোসা (১৮৭৫) এবং ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৭৬) সংগঠন গড়ে তোলেন। মুসলমানরাও মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি অব কলকাতা (১৮৬৩), ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৭৭) এবং স্থানীয় পর্যায়ে অসংখ্য আঞ্জুমান  প্রতিষ্ঠা করেন, যা উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবে দায়ী ছিল ।

লাহোর প্রস্তাবে কংগ্রেসের বিরোধিতা :

 ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ফলে তৎকালীন ভারতবর্ষে = মুসলমানদের মধ্যে এক নতুন আশার সঞ্চার হয়। আলাদা আবাস ভূমির আশায় তারা আশান্বিত হয়ে উঠলে কংগ্রেসও পৃথক রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলনে নামে। কংগ্রেস মুসলমানদের পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে মেনে নেয় নি, যা সাম্প্রদায়িকতা

উদ্ভবে ভূমিকা রাখে ।

জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব : 

প্রভাবশীল মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালে দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘোষণা করে বলেন যে, ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলিম কোনো সময়ই একটি জাতি ছিল না, তারা স্বতন্ত্র জাতি । তিনি ধর্মভিত্তিক দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানান। কংগ্রেস এ দাবি প্রত্যাখ্যান করলে হিন্দু-মুসলিম

সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ঘটে ।

নিউফ মুলা স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (আবশ্যিক)

ঔপনিবেশিক শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতার ফলাফল : 

ঔপনিবেশিক শাসনামলে সাম্প্রদায়িকতার ফলাফল ছিল নিম্নরূপ :

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা :

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের ভেদনীতির প্রয়োগ ও সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবের ফলে কিশোরগঞ্জ G ১৯০৬-০৭ সালে ময়মনসিংহে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাঁধে। ১৯১৯-১৯২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাঁধে কলকাতা-পাবনা-ঢাকাতে । ১৯২৭-১৯৩১ সালের বিভিন্ন সময়ে দাঙ্গা বাঁধে পটুয়াখালী, পোনাবালি, ঢাকা, চট্টগ্রামে । ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা ছিল রাজনীতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ।

দ্বি-জাতি তত্ত্বের উদ্ভব : 

১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনে কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে মুসলিম লীগ যুক্তভাবে মন্ত্রীসভা গঠনের প্রস্তাব করলে কংগ্রেস তা প্রত্যাখ্যান করে । এদিকে বাংলা ও পাঞ্জাবে মুসলিম লীগ সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠন করে । জুন মাসে কংগ্রেস ৬টি প্রদেশে এককভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করে । কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে যুক্তপ্রদেশে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। কংগ্রেস প্রদেশে সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করতে থাকে। বিভিন্ন অফিস-আদালতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কংগ্রেসের পতাকা ও বন্দেমাতরম সঙ্গীতের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাঁধে। এতে হিন্দু-মুসলিমের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয় । এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম জাতি তাদের নিজস্ব ভাগ্য নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেন। এ সময় মোহাম্মদ জিন্নাহ তার দ্বি-জাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।

কলকাতা দাঙ্গা : 

মুসলিম লীগ ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টকে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস হিসেবে চিহ্নিত করে ঐদিন সকল কাজ-কর্ম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে । অপরদিকে হিন্দু জনমত পাকিস্তান বিরোধী স্লোগানকে কেন্দ্র করে সংগঠিত হতে থাকে । ১৬ আগস্ট মুসলিম লীগ হিন্দু দোকানপাট বন্ধ রাখতে বললে হিন্দুরা মুসলিম লীগের শোভাযাত্রার পথে বাধার সৃষ্টি করে । তখন হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এ দাঙ্গায় ৪০০০ লোক মারা যায় এবং ১,০০,০০০ লোক আহত হয় । ২২ তারিখে কলকাতার পরিস্থিতি শান্ত হয়। ১৯৪৬ সালের এ দাঙ্গা অবশ্যই সাম্প্রদায়িক ছিল। এ দাঙ্গায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত আক্রমণ ও হত্যাকান্ড পরিচালনা করা হয় । হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় যে সমষ্টিগত হিংসাত্মক কার্যাবলি সংঘটিত হয় যেখানে দক্ষ পরিচালনার বৈশিষ্ট্যসমূহ দৃশ্যমান ছিল । লুণ্ঠিত মালামাল কেন্দ্রীয় স্থানে নেওয়ার জন্য মালগাড়ি অপেক্ষায় ছিল । নিজ সম্প্রদায়ের দোকানপাট রক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় । মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস উভয় দলের স্বেচ্ছাসেবকেরা রেডক্রসের ব্যাজ ধারণ করে পুলিশের দৃষ্টি এড়াত। পরবর্তীতে মুসলিম লীগ এই বলে হুঁশিয়ারি দেয় যে, ভারত বিভক্তির ব্যাপারে তাদের মতামত গ্রহণ করা না হলে কলকাতার ন্যায় সারাদেশে বিদ্রোহ শুরু হবে, যা সাম্প্রদায়িকতার বহিঃপ্রকাশ ।

নেতৃত্বের মধ্যে সমঝোতা : 

কলকাতা দাঙ্গার প্রভাব বাংলা ও বিহারে বিস্তার লাভ করে । গান্ধী মুসলিম নিধনের সংবাদে কলকাতায় ছুটে এসে মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মিলে দাঙ্গা প্রশমনের ব্যবস্থা করেন। উভয়ের চেষ্টায় কলকাতায় দাঙ্গা বন্ধ হয় । ফলে নেতৃত্বের মধ্যে সমঝোতা হয় ।

জিন্নাহ জাতির পিতা : 

ভারতবর্ষে সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের জাতির পিতা হয়ে গেলেন, যা সাম্প্রদায়িকতার কারণেই সম্ভব ছিল ।

নিজ দেশে পরবাসী : 

সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভারতবর্ষ বিভক্ত হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিজ দেশে পরবাসী হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

উপসংহার :

 পরিশেষে বলা যায় যে, ভারতবর্ষে ঔপনিবেশিক শাসনামলে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নানা কারণে সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব ঘটে । মূলত কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের বিপরীতমুখী অবস্থার কারণে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ায় । তাছাড়া ব্রিটিশ সরকার নিজেদের শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে যে ভেদরেখা টেনে দিয়েছিল তারই ফসল হলো সাম্প্রদায়িকতা। তাই ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভক্ত হলে পাকিস্তানে হিন্দুরা এবং ভারতে মুসলমানরা আতঙ্কে থাকত । সাম্প্রদায়িকতার বহিঃপ্রকাশ আজো ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে প্রকট আকার ধারণ করে ।

ঔপনিবেশিক শাসনামল
seo misuk

Olimpia Milano: Olimpia Milano, also known as AX Armani Exchange Milan, is a professional basketball team based in Milan, Italy. The team …

about world

Real Madrid cf: Real Madrid Club de Fútbol, commonly known as Real Madrid or simply as Real, is a professional football club …

about world

India Republic Day India’s Republic Day is a national holiday celebrated every year on January 26th to commemorate the adoption of the …

seo misuk

Fiverr affiliate program: The Fiverr Affiliate Program is a way for individuals and businesses to earn money by promoting Fiverr’s services to …

seo misuk

As of my knowledge cutoff, the recommended size for a Fiverr gig image size is 550 pixels wide by 370 pixels tall. …

seo misuk

Best Tips for Fiverr: Fiverr is a popular online marketplace that connects freelancers with clients looking for a wide range of services. …

Fiverr is the best marketplace: Fiverr is a leading online marketplace for freelance services. It is a great platform for new freelancers …

seo misuk

Deactivate Fiverr account: Deactivating a Fiverr account is a simple process that can be completed in a few steps. First, log in …

Enable temporarily disabled Fiverr account If your Fiverr account has been temporarily disabled, it likely means that there has been a violation …

seo misuk

Disable Fiverr account: Fiverr is a platform that allows freelancers to offer their services to customers around the world. However, in some …

seo misuk

Fiverr rules Fiverr is an online marketplace that connects freelancers with clients who need their services. To ensure a positive experience for …

seo misuk

Fiverr gig edit: Fiverr is a popular online marketplace that allows freelancers to offer their services to customers around the world. One …

seo misuk

How to rank Fiverr gig on first page Ranking your Fiverr gig high in search results is crucial for getting more visibility and …

seo misuk

Fiverr Exam: Fiverr is a popular online marketplace that connects freelancers with clients looking for a variety of services, such as graphic …

seo misuk

How to write Fiverr gig: Creating a successful gig on Fiverr, a popular freelance marketplace, can help you earn money by providing …

Tags

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *